আরএমপিতে গ্রেফতার বানিজ্যের শীর্ষে কাশিয়াডাংগার সেকেন্ড অফিসার এস আই তাজ উদ্দিন। অভিযোগ উঠেছে ঘুষ, গ্রেফতার, মাসিক মাসোহারার শীর্ষে এস আই তাজ উদ্দিন। অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, গত ৩১ শে মে ২০২১ ইং তারিখে আদারিপাড়া থেকে জাহিদ নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেন এএসআই সোহেল রানা। তৎক্ষনাৎ ঘটনাস্থলে পৌছায় এস আই তাজ উদ্দিন। জাহিদকে আটকের পর ঐদিন ১২ হাজার টাকা জব্দ ও ৪০ গ্রাম হেরোইন দিয়ে মামলা দেয় থানা পুলিশ। ঘটনা সুত্রে জানা যায়, জাহিদ একজন কাঠ ব্যবসায়ী। সে সেইদিন গ্রামীণ ব্যাংক ও ব্রাক ব্যাংক থেকে ৫০ হাজার ও ৪০ হাজার টাকাসহ সর্বমোট ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা নিয়ে কাঠ কিনতে বের হয়। পথিমধ্যে এ এস আই সোহেল তাকে আটক করেন। তার কাছে কোন মাদক না থাকলেও টাকা আত্মসাৎ এর ন্যায় ৪০ গ্রাম হেরোইন দিয়ে মামলা দেন এস আই তাজ উদ্দিন। আটক জাহিদের কাছে থাকা ১ লাখ ৬০ হাজার টাকার মধ্যে ১২ হাজার টাকা জব্দ তালিকায় লিপিবদ্ধ করে ১ লাখ ৪৮ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, জাহিদ কোন মাদক ব্যবসায়ী নয়, সে মূলত কাঠ ব্যবসায়ী। তার টাকা আত্মসাৎ করার লক্ষ্যে তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়। তারা বিষয়টি অভিযোগ আকারে পুলিশের উদ্ধর্তন অফিসারদের জানিয়েছে। এদিকে ৪ মে, অপর একটি ঘটনায় দুইজনকে ২০ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করেন তাজ উদ্দিন। দুইজনের মধ্যে একজনকে ৫ হাজার টাকার বিনিময়ে আরএমপি ধারায় চালান করলেও টাকা না পেয়ে অপরজনকে ১২০ গ্রাম গাঁজা দিয়ে মামলা দেন। অন্য আরেকটি ঘটনায়, ৫০০ গ্রাম হেরোইনসহ একজনকে আটক করে ৩০ গ্রাম হেরোইন দিয়ে মামলা দেন এসআই তাজ উদ্দিন। এই ঘটনায় ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা ঘুষ নেন তিনি। অপর আরেকটি ঘটনায়, বিনা কারণে রাস্তা থেকে সুমন নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে ২০ হাজার টাকা নিয়ে ছেড়ে দেন। এ বিষয়ে কথা বলতে এস আই তাজ উদ্দিনকে ফোন দিলে তিনি বলেন, সব ঘটনা মিথ্যা। নিউজ করলে আমার কিছুই হবে না, কারণ উদ্ধর্তন অফিসাররা সব জানে। এ বিষয়ে ওসি মাসুদ পারভেজ বলেন, আমার ঘটনাগুলো জানা নেই। অভিযোগ পেলে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নিবো। কথা বললে, আরএমপি’র মিডিয়া মূখপাত্র অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার বলেন, আমি বিষয়টি জানি না, ভুক্তভোগী অভিযোগ পেলে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Leave a Reply